দোকান একটা হোক বা অনেকগুলো — সব সামলান একটাই সহজ পিওএস দিয়ে।
কাউন্টারে ঝটপট বিল করুন, ঈদের অফার আর কম্বো ডিল চালান কোনো ভুল ছাড়াই, আর প্রতিটা সাইজ, কালার ও ব্রাঞ্চের স্টক থাকুক সবসময় চোখের সামনে।
আপনি দোকান সামলান, সিস্টেম সামলাব আমরা।
এটা একটা ক্লাউড সার্ভিস — হোস্টিং, ব্যাকআপ, নিরাপত্তা আর আপডেট সবকিছুর দায়িত্ব আমাদের, আপনার মাসিক প্যাকেজের মধ্যেই।
- সার্ভার ও হোস্টিং
- প্রতিদিনের ব্যাকআপ
- আপডেট ও নতুন ফিচার
- HTTPS ও নিরাপত্তা
ব্রাউজার খুলে লগইন করলেই হলো — দোকানের কম্পিউটার, বাসার ল্যাপটপ, যেখান থেকে খুশি।
দোকানের পেছনে কোনো মেশিন বসাতে হবে না, আলাদা আইটি লোক রাখতে হবে না, সার্ভারের বিদ্যুৎ বিলও নেই।
নতুন সুবিধা নিজে থেকেই চলে আসে — আপনার প্রতিটা দোকান চলে সর্বশেষ ভার্সনে।
প্রতিদিন আপনার ডেটার ব্যাকআপ হয়। পেনড্রাইভে কপি রাখা বা “ব্যাকআপ নেওয়া হয়েছে তো?” — এই দুশ্চিন্তা আর নেই।
বাইরের ঝুঁকি হোক বা ভেতরের — আপনার ব্যবসা থাকবে সুরক্ষিত।
বিক্রি, স্টক আর কাস্টমারের তথ্যই আপনার ব্যবসার প্রাণ। তাই নিরাপত্তা শুরু থেকেই সিস্টেমের প্রতিটা স্তরে গেঁথে দেওয়া — পরে জোড়াতালি দিয়ে নয়।
আপনার তথ্য শুধুই আপনার
- প্রতিটা ব্যবসার তথ্য সম্পূর্ণ আলাদা — আপনার পণ্য, বিক্রি বা কাস্টমারের তথ্য অন্য কেউ কখনো দেখতে পারবে না।
- দোকান থেকে সার্ভার পর্যন্ত সব যোগাযোগ HTTPS দিয়ে এনক্রিপ্ট করা।
- পাসওয়ার্ড রাখা হয় সাংকেতিক (হ্যাশ) রূপে — আমরা নিজেরাও তা পড়তে পারি না।
- আপনার সব ডেটার প্রতিদিন ব্যাকআপ হয়।
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে
- বারবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে ওই জায়গা থেকে লগইন লক হয়ে যায় — প্রথমে ১ ঘণ্টা, চেষ্টা চলতে থাকলে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত।
- কম্পিউটার ১০ মিনিট পড়ে থাকলে নিজে থেকেই লগআউট হয়ে যায়।
- কোনো স্টাফকে বাদ দিলে বা পাসওয়ার্ড বদলালে তার লগইন সাথে সাথে বন্ধ।
- নতুন স্টাফকে প্রথম লগইনেই নিজের পাসওয়ার্ড ঠিক করে নিতে হয়।
হিসাবে কারচুপির সুযোগ নেই
- স্টকের হিসাব স্থায়ী — ভুল হলে নতুন এন্ট্রি দিয়ে শুধরাতে হয়, পুরনো হিসাব বদলানো বা মোছা যায় না।
- শুধু রেজিস্টার করা কম্পিউটারেই ক্যাশ কাউন্টার চলে — প্রতি কাউন্টারে একটাই ডিভাইস।
- রিপ্রিন্ট করা বিলে স্পষ্ট লেখা থাকে “REPRINT COPY”।
- প্রতিটা শিফট শেষে ক্যাশ গোনা হয় — কম বা বেশি হলে রিপোর্টেই ধরা পড়ে।
গোছানো, সহজ স্ক্রিন — কাজ করে আরাম পাবে আপনার টিম।
সফটওয়্যারের আসল স্ক্রিন, নমুনা তথ্য দিয়ে দেখানো।
বিলিং স্ক্রিন।মাউস না ছুঁয়েই স্ক্যান, ডিসকাউন্ট আর পেমেন্ট — F1–F9 শর্টকাট, মেম্বার খোঁজা, বিল হোল্ড আর এক্সচেঞ্জ। স্ক্যান করার সাথে সাথেই অফার বসে যায়।
মালিকের ড্যাশবোর্ড।লগইন করলেই সব ব্রাঞ্চের আজকের বিক্রি, স্টক আর সবচেয়ে বেশি চলা পণ্য — এক নজরে।
অফার ও প্রমোশন।% ছাড়, কম্বো আর “একটা কিনলে আরেকটা” অফার বানান, ব্রাঞ্চ আর তারিখ ঠিক করে দিন — বাকিটা প্রতিটা কাউন্টার নিজেই সামলাবে।
স্টক ও লেবেল।পণ্য, সাইজ আর ব্রাঞ্চ ধরে স্টক — আর এই তালিকা থেকেই সরাসরি বারকোড প্রাইস লেবেল প্রিন্ট।
ভাঙা সাইজ।কোন পণ্যের কোন সাইজ বা কালার ফুরিয়ে এসেছে, ব্রাঞ্চ ধরে দেখে নিন — বিক্রি হাতছাড়া হওয়ার আগেই।
মেম্বার।কাস্টমারকে মেম্বার করুন, তার পয়েন্টের হিসাব রাখুন, আর কাউন্টারেই পুরস্কার দিন।
থার্মাল রিসিট।অফার, পেমেন্ট আর মেম্বারের পয়েন্টসহ ৮০ মিমি থার্মাল রিসিট — সাথে মূসক-৬.৩ ফরম্যাটে A4 ইনভয়েস আর রিপ্রিন্টের সুবিধা।
বাংলায়।একই স্ক্রিন বাংলায় — প্রত্যেক ইউজার নিজের ভাষা নিজেই বেছে নেন।
ছোট দোকানের জন্য সহজ, চেইন শপের জন্যও যথেষ্ট শক্তিশালী।
শুরু করুন মাত্র দুজন মানুষ দিয়ে। ব্যবসা বাড়লে যোগ করুন নতুন ব্রাঞ্চ, গোডাউন আর স্টাফ — একই অ্যাকাউন্টে, কোনো ডেটা সরানো ছাড়াই।
একটা দোকান
দোকানটাই আপনার স্টকরুম — মাল তোলা, বিক্রি আর স্টক গোনা, সব এক জায়গায়।
- পোশাক বা জুতার রেডিমেড ক্যাটাগরি দিয়ে ঝটপট সেটআপ
- প্রাইস লেবেল প্রিন্ট করে সেদিনই বিক্রি শুরু
- প্রতিটা বিক্রি, ডিসকাউন্ট আর ক্যাশ শিফট মালিকের চোখে
অনেক ব্রাঞ্চ + গোডাউন
এক জায়গা থেকে মাল কিনুন, ব্রাঞ্চে পাঠান, আর সবকিছু দেখুন এক স্ক্রিনে।
- গোডাউন আর ব্রাঞ্চের মধ্যে স্টক ট্রান্সফার
- প্রতিটা ব্রাঞ্চের টিম শুধু নিজের দোকানই দেখে
- সব ব্রাঞ্চ মিলিয়ে একসাথে রিপোর্ট
ঈদ, পূজা বা সিজন-শেষের সেল — চালান একটুও ভুল ছাড়া।
অফার একবার বানালেই হলো। প্রতিটা ব্রাঞ্চের প্রতিটা কাউন্টারে পণ্য স্ক্যান করার মুহূর্তেই সেটা নিজে থেকে বসে যাবে।
একই পণ্যে দুটো অফার পড়লে যেটা বেশি নির্দিষ্ট, সেটাই কাজ করে। আর একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক অফার চালু হওয়ার আগেই আটকে যায়।
কোন ব্রাঞ্চে, কোন কোন দিন — ঠিক করে দিন; অফার নিজে থেকেই শুরু হবে, নিজে থেকেই শেষ হবে।
কোন বিলের কোন পণ্যে কত ছাড় গেল, সব রেকর্ড থাকে — তাই প্রতিটা অফারে আসলে কত খরচ হলো, পরিষ্কার দেখতে পাবেন।
সব পণ্যে, একটা ক্যাটাগরিতে (সাব-ক্যাটাগরিসহ), একটা পণ্যে, এমনকি নির্দিষ্ট একটা সাইজ বা কালারে।
১টা কিনলে আরেকটা ৫০% ছাড়ে — ভিন্ন ক্যাটাগরিতেও চলে: পাঞ্জাবি কিনলে টি-শার্ট অর্ধেক দামে।
পাঞ্জাবি + পায়জামা + টুপি — পুরো সেট এক বিশেষ দামে।
নির্দিষ্ট সেল প্রাইস, অথবা বেশি কিনলে বেশি ছাড়।
এক বছরের বেশি পুরনো পণ্য বেছে নিয়ে জমে থাকা মাল নিজে থেকেই ক্লিয়ার করুন।
একটা ক্যাম্পেইনেই প্রতিটা পণ্যে আলাদা ছাড় — শুধু একটা শিট আপলোড করুন।
স্ক্রিনে যা দেখাচ্ছে, তাকেও ঠিক তা-ই আছে।
যে পিসটাই আসুক, বিক্রি হোক, অন্য ব্রাঞ্চে যাক বা নষ্ট হোক — সব রেকর্ড হয়, আর পরে চুপিচুপি কিছুই বদলানো যায় না।
- স্টকের বেশি বিক্রি অসম্ভব — দুই কাউন্টার একই মুহূর্তে শেষ পিসটা বিক্রি করতে গেলেও।
- ভুল মুছে ফেলা হয় না, শুধরে নেওয়া হয় — ভুল রিসিভ উল্টে দেওয়া হয় পরিষ্কার রেকর্ড রেখে।
- রিসিভসহ ট্রান্সফার — ব্রাঞ্চে পাঠানো মাল পৌঁছানোর পর কনফার্ম করা হয়।
- কেনাকাটাও এখানেই — পারচেজ অর্ডার, পণ্য ধরে ধরে মাল রিসিভ আর সাপ্লায়ারকে ফেরত।
সাইজ আর কালারের ঝামেলা — সামলাবে সিস্টেম।
একবার পণ্য যোগ করে কালার আর সাইজ বেছে দিন — প্রতিটা ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয়ে যাবে নিজস্ব বারকোডসহ। তারপর এক নজরে দেখুন, কোথায় সাইজ ভাঙছে।
- ভাঙা সাইজের রিপোর্ট — কোন পণ্যের কিছু সাইজ শেষ, বিক্রি হাতছাড়া হওয়ার আগেই জেনে নিন।
- বারকোড লেবেল — রোল লেবেল প্রিন্টার বা A4 শিটে প্রাইস ট্যাগ প্রিন্ট।
- কোম্পানির বারকোডই চলবে — পণ্যে বারকোড থাকলে সেটাই, না থাকলে সিস্টেম নিজেই বানিয়ে দেবে।
- সিজন ও জেন্ডার ট্যাগ — আপনি কালেকশন যেভাবে ভাবেন, রিপোর্টও সেভাবেই ফিল্টার করুন।
| S | M | L | XL | XXL | |
|---|---|---|---|---|---|
| মেরুন | ৬ | ৪ | ০ | ৩ | ২ |
| নেভি | ৫ | ০ | ০ | ১ | ৪ |
| অফ-হোয়াইট | ৮ | ৭ | ৫ | ৬ | ৩ |
আপনার টিমের ভাষাতেই।
যে যেটায় স্বচ্ছন্দ — বাংলা বা ইংরেজি, সেটাতেই কাজ করুক। সাথে পছন্দমতো ফন্ট সাইজ আর মেনুর ধরন।
- মেনু, স্ক্রিন আর রিপোর্ট — সব বাংলায়
- ফন্ট সাইজ আর মেনুর স্টাইল নিজের মতো
একবারের কাস্টমারকে বানান নিয়মিত কাস্টমার।
কাউন্টারেই কয়েক সেকেন্ডে কাস্টমারকে মেম্বার করে নিন, আর প্রতিবার ফিরে এলে পুরস্কার দিন — আপনার দোকানের নিয়মে।
- মেম্বার ডিসকাউন্ট — প্রত্যেক মেম্বারের জন্য নির্দিষ্ট % ছাড়, নিজে থেকেই বসে যায়।
- অথবা লয়্যালটি পয়েন্ট — প্রতিটা কেনাকাটায় পয়েন্ট জমে, পরের বিলে খরচ করা যায়।
- নিয়ম আপনার — কত টাকায় কত পয়েন্ট, এক পয়েন্টের দাম কত, কত পয়েন্ট জমলে খরচ করা যাবে, আর মেম্বার হতে ন্যূনতম কত টাকার কেনাকাটা।
- SMS দিয়ে যাচাই — আপনার নিজের SMS গেটওয়ে থেকে ওয়ান-টাইম কোড পাঠিয়ে মেম্বারের ফোন নম্বর নিশ্চিত করুন।
- হিসাব রিসিটেই — কত পয়েন্ট পেলেন, কত খরচ হলো আর কত রইল — সব রিসিটে ছাপা থাকে।
দোকানে না থেকেও — নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই।
প্রত্যেককে ঠিক ততটুকু অ্যাক্সেস দিন, যতটুকু তার কাজে লাগে। গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগবে ম্যানেজারের অনুমোদন।
প্রতিটা ব্রাঞ্চ দেখে শুধু নিজেরটা
ব্রাঞ্চের স্টাফ কাজ করে শুধু নিজের দোকানের স্টক আর বিক্রি নিয়ে — এর বাইরে কিছু না।
বিল বাতিল ও ফেরতে অনুমতি লাগে
বিল বাতিল বা টাকা ফেরত শুধু ম্যানেজাররাই পারেন, তাও নিজের ব্রাঞ্চে।
ক্যাশিয়ারের ডিসকাউন্টে লাগাম
ক্যাশিয়ার নিজে ডিসকাউন্ট দিতে পারবে কি না — পুরো ব্যবসার জন্য বা ব্রাঞ্চ ধরে ঠিক করুন।
কাউন্টার ধরে ক্যাশ শিফট
প্রতিটা কাউন্টারে শিফট খোলা-বন্ধ, ক্যাশ গুনে পরের শিফটে হস্তান্তর।
ক্ষতি ও হারানোয় অনুমোদন লাগে
ব্রাঞ্চ জানাবে, আপনি অনুমোদন দেবেন — মাল আর চুপচাপ উধাও হবে না।
লাভের হিসাব গোপন
কেনা দাম আর লাভের অঙ্ক দেখবেন শুধু মালিক আর বিজনেস ম্যানেজার।
কী চলছে, কী আটকে আছে, আর স্টকে কত টাকা — সব জানুন।
ফ্যাশন ব্যবসায়ীরা আসলে যে প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজেন, রিপোর্টগুলো সাজানো সেভাবেই — দরকার হলে এক্সেলে এক্সপোর্টও করা যায়।
আজকের বিক্রি, স্টক আর সেরা পণ্য — এক নজরে।
নতুন কালেকশন লঞ্চের পর কত দ্রুত বিক্রি হচ্ছে।
স্টকে কত টাকা আটকে আছে — কেনা ও বিক্রির দামে, দোকান, ক্যাটাগরি বা ব্র্যান্ড ধরে।
যেসব পণ্যের কিছু সাইজ বা কালার শেষ।
বিক্রি হওয়া প্রতিটা পণ্যের হিসাব, এক্সেল এক্সপোর্টসহ।
সব পণ্য × সব দোকান — এক শিটে।
রাইট-অফ হওয়া মাল, কেনা ও বিক্রির দামে।
অর্ডার, মাল রিসিভ আর সাপ্লায়ার রিটার্ন।
প্রফেশনাল বিল
মূসক-৬.৩ ফরম্যাটে A4 ইনভয়েস আর ৮০ মিমি থার্মাল রিসিট — আপনার BIN, ভ্যাটসহ বা ভ্যাট ছাড়া দাম, আর রিপ্রিন্টের সুবিধা।
কিবোর্ডেই ঝটপট বিল
পরিমাণ, ডিসকাউন্ট, মেম্বার, পেমেন্ট আর হোল্ড — সবই F1–F9 শর্টকাটে; ক্যাশিয়ারের মাউস প্রায় লাগেই না।
অ্যাপের ভেতরেই হেল্প সেন্টার
প্রতিদিনের প্রতিটা কাজের ধাপে ধাপে গাইড অ্যাপেই আছে — কাউকে ফোন না করেই শিখে নেবে আপনার টিম।
মাত্র তিন ধাপে বিক্রি শুরু
ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন
এক মিনিটে সাইন আপ করুন — অ্যাকাউন্ট সাথে সাথেই চালু। কোনো টাকা লাগবে না, কারও জন্য অপেক্ষাও করতে হবে না।
গাইড করা সেটআপ
পোশাক না জুতা — বেছে নিলেই ক্যাটাগরি, সাইজ আর কালার তৈরি। এরপর শুধু আপনার পণ্য আর ব্রাঞ্চ যোগ করুন।
লেবেল প্রিন্ট, তারপর বিক্রি
মাল রিসিভ করুন, বারকোড লেবেল প্রিন্ট করুন, কাউন্টার খুলুন। সেদিনই বিক্রি শুরু করতে পারবে আপনার টিম।
যা সবাই জানতে চান
কিছু ইনস্টল করতে হবে?
না। দোকানের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ব্রাউজারেই চলে। সাধারণ বারকোড স্ক্যানার, ৮০ মিমি রিসিট প্রিন্টার আর বারকোড লেবেল প্রিন্টারের সাথেও কাজ করে।
একটা দোকান দিয়ে শুরু করে পরে ব্রাঞ্চ বাড়ানো যাবে?
অবশ্যই। একটা দোকান চলে মাত্র দুজনে — মালিক আর শপ ম্যানেজার। নতুন ব্রাঞ্চ খুললে একই অ্যাকাউন্টে যোগ করে নিন; স্টক ট্রান্সফার, সেন্ট্রাল গোডাউন আর ব্রাঞ্চের স্টাফ — সবকিছু আগে থেকেই তৈরি।
সফটওয়্যারটা কি বাংলায় চলে?
হ্যাঁ। প্রত্যেকে নিজের পছন্দমতো বাংলা বা ইংরেজিতে চালাতে পারেন।
পণ্যে আগে থেকে থাকা বারকোড কি ব্যবহার করা যাবে?
হ্যাঁ। কোম্পানির বারকোড স্ক্যান করলেই সেটা হুবহু ব্যবহার হবে। যেসব পণ্যে বারকোড নেই, সেগুলোর জন্য সিস্টেম নিজেই বারকোড বানিয়ে লেবেল প্রিন্ট করে দেবে।
হোস্টিং, ব্যাকআপ আর আপডেট কে দেখবে?
আমরাই। এটা একটা ক্লাউড সার্ভিস — সার্ভার, প্রতিদিনের ব্যাকআপ, নিরাপত্তা আর সফটওয়্যার আপডেট সব আমাদের দায়িত্বে, আপনার প্যাকেজের মধ্যেই। আপনি শুধু ব্রাউজার খুলে লগইন করবেন।
ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে?
হ্যাঁ — এটা অনলাইন সিস্টেম। তাই আপনার সব দোকান, রিপোর্ট আর স্টক সবসময় একসাথে আপডেট থাকে, আর প্রতিদিন ডেটার ব্যাকআপ হয়।
আমার ব্যবসার তথ্য কি গোপন থাকবে?
প্রতিটা ব্যবসার তথ্য সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়। বারবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে লগইন নিজে থেকে লক হয়ে যায়, আর পড়ে থাকা সেশন নিজেই লগআউট হয়।
দাম কীভাবে ঠিক হয়?
ব্রাঞ্চ প্রতি, মাস হিসেবে — চাইলে ছয় মাস পর্যন্ত আগাম দিতে পারেন। আগে ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল দিয়ে শুরু করুন; বিস্তারিত পাবেন দামের পেজে।
নিজের দোকানে একবার চালিয়ে দেখবেন?
এক মিনিটে সাইন আপ করুন, সাথে সাথেই শুরু ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল — গাইড করা সেটআপে পোশাকের ক্যাটাগরি আর সাইজ তৈরি হয়ে যাবে, নিজের পণ্য দিয়েই চালিয়ে দেখুন।






